ঢাকা সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

‘ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে অগ্রিম অভিনন্দন

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:০৮ রাত

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–এর চেয়ারম্যান তারেক রহমান–কে দেশের ‘ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে অগ্রিম অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–এর আমির ডা. শফিকুর রহমান

রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নিজের বাসভবনে তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ অভিনন্দন জানান জামায়াত আমির। ইতিবাচক রাজনীতির বার্তা দিতেই তারেক রহমান সৌজন্য সাক্ষাতে সেখানে যান বলে জানা গেছে। এ সময় ফুল দিয়ে তাকে স্বাগত জানান ডা. শফিকুর রহমান। পরে দুই নেতা পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে আলোচনা করেন।

বিবৃতিতে ডা. শফিকুর রহমান এই সাক্ষাৎকে জাতীয় রাজনীতির জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, তারেক রহমানের এই আগমনকে তিনি স্বাগত জানান এবং আশা প্রকাশ করেন যে সংলাপ ও দায়িত্বশীলতার মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক পরিপক্বতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে।

একটি ফ্যাসিবাদমুক্ত ও সার্বভৌম বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে জামায়াত আমির বলেন, তিনি এমন এক রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখেন যা ইনসাফ ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে পরিচালিত হবে। তিনি জানান, ১১ দলীয় জোটের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি সমৃদ্ধ, স্থিতিশীল ও আধুনিক রাষ্ট্র গঠনে তার দল প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে, যা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সাংবিধানিক শাসনের ওপর প্রতিষ্ঠিত হবে।

বৈঠকের আলোচনার বিষয়ে তিনি বলেন, তারেক রহমান নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা এবং বিরোধী দলের কর্মী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর সম্ভাব্য হামলা রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। এই প্রতিশ্রুতিকে তিনি সাধুবাদ জানান। একই সঙ্গে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, কোনো নাগরিক যেন ভীতি বা নিরাপত্তাহীনতায় না ভোগেন।

ভবিষ্যৎ সরকারের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে ডা. শফিকুর রহমান স্পষ্ট করেন, জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে নির্বাচিত সরকারকে পূর্ণ সহযোগিতা দেওয়া হবে। তবে আদর্শিক বিরোধী দল হিসেবে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে তারা আপসহীন থাকবেন। সরকারের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে সমর্থন থাকবে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি যেখানে জবাবদিহিতার প্রয়োজন হবে, সেখানে দল সোচ্চার থাকবে।

তিনি আরও বলেন, তাদের উদ্দেশ্য সংঘাত সৃষ্টি করা নয়; বরং গঠনমূলক সংশোধন ও কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ। দেশের মানুষ এমন একটি সংসদ প্রত্যাশা করে, যা ন্যায়বিচার ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করে রাষ্ট্রকে স্থিতিশীলতার সঙ্গে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।


 

Link copied!