ঢাকা মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

কোরবানির বর্জ্য ৮ ঘণ্টায় অপসারণের লক্ষ্য ডিএসসিসির

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৫ মে, ২০২৬, ০৯:৩৮ রাত

সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাজধানীতে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। সংস্থাটি জানিয়েছে, ঈদের দিন কোরবানির পর সৃষ্ট বর্জ্য মাত্র ৮ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

ডিএসসিসির নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঈদের দিন দুপুর ১টা ৩০ মিনিট থেকে বর্জ্য পরিবহন কার্যক্রম শুরু হবে। কলাবাগান সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) থেকে বর্জ্য মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলে নেওয়া হবে। লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—প্রথম দিনের কোরবানির বর্জ্য রাত ৯টা ৩০ মিনিটের মধ্যেই অপসারণ সম্পন্ন করা।

সোমবার জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএসসিসির পক্ষ থেকে ঈদের প্রধান জামাত ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। এ সময় ডিএসসিসির প্রশাসক মো. আবদুস সালাম সার্বিক প্রস্তুতির বিষয়ে কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে। তবে আবহাওয়া প্রতিকূল হলে বিকল্প হিসেবে সকাল ৮টায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে প্রধান জামাত আয়োজন করা হবে।

এবার জাতীয় ঈদগাহে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লির একসঙ্গে নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। নারীদের জন্য পৃথক প্রবেশপথ, অজুর স্থান ও নামাজের সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। পাশাপাশি গরমের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে প্যান্ডেলে ফ্যান ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। বিশুদ্ধ পানি, অস্থায়ী টয়লেট, চিকিৎসাসেবা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছে বলেও জানানো হয়।

ডিএসসিসির হিসাবে, ঈদের তিন দিনে দক্ষিণ সিটি এলাকায় প্রায় ৩৩ হাজার ৯৪২ টন বর্জ্য সৃষ্টি হতে পারে। এ বিপুল পরিমাণ বর্জ্য দ্রুত সরাতে ১৩ হাজার ৪৫৩ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী দায়িত্ব পালন করবেন। তাঁদের সহায়তায় ট্রাক, কম্প্যাক্টর ও পে-লোডারসহ ২ হাজারের বেশি যানবাহন ও যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হবে।

স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও জীবাণু নিয়ন্ত্রণে ৭৫টি ওয়ার্ডে ব্লিচিং পাউডার, জীবাণুনাশক এবং বিপুলসংখ্যক বায়োডিগ্রেডেবল ব্যাগ বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া কোরবানির পশুর হাট ও বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম সার্বক্ষণিক তদারকির জন্য একটি কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করা হয়েছে। প্রতিটি পশুর হাটে পৃথক তদারকি দল, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও মেডিকেল টিমও দায়িত্ব পালন করবে।

Link copied!